মনের ভাবনা

জানুয়ারি 9, 2010

দারসুল কোরআন-পর্ব ১

যার অধীনে আছে: ধর্ম — ইমরান @ 8:12 অপরাহ্ন

সরল অনুবাদঃ এরশাদ হচ্ছে, ১) লোকেরা তোমার কাছে গণিমতের মাল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছে? বলে দাও, “এ গণিমতের মাল তো আল্লাহ ও তার রাসুলের। কাজেই তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, নিজেদের পারস্পারিক সম্পর্ক শুধরে নাও এবং আল্লাহ ও রাসুলের আনুগত্য কর, যদি তোমরা মূমিন হয়ে থাক।২) সাচ্চা ঈমানদার তো তারাই আল্লাহকে স্বরণ করা হলে যাদের অন্তর কেপে ওঠে। আল্লাহর আয়াত যখন তাদের সামনে পড়া হয় তখন তাদের ঈমান বেড়ে যায়। ৩) এবং তারা নিজেদের রবের উপর ভরসা করে। তারা নামায কায়েম করে এবং আমি তাদের যা দিয়েছি তা থেকে (আমার পথে) তা থেকে খরচ করে। এ ধরনের লোকেরাই প্রকৃত মূমিন। তাদের জন্য তাদের রবের কাছে রয়েছে বিরাট মর্যাদা, ভুল ত্রুটির ক্ষমা। ৪) ও উত্তম রিযিক।( এই গণিমতের মালের ব্যাপারে ঠিক তেমনি অবস্থা দেখা দিচ্ছে যেমন অবস্থা দেখা দিয়েছিলযখন) তোমার রব সত্য সহকারে তোমাকে ঘর থেকে বের করে এনেছিলেন এবং মূমিনদের একটি দলের কাছে এটা ছিল বড়ই অসহনীয়। তারা এ সত্যের ব্যাপারে তোমার সাথে ঝগড়া করছিল অথচ তা একেবারে পরিষ্কার হয়ে ভেসে উঠেছিল। তাদের অবস্থা এমন ছিল, যেন তারা দেখছিল তাদেরকে মৃত্যুর দিকে হাকিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।-সুরা আনফাল(১-৪)

সুরার বিষয়বস্তুঃ এ সুরাটিতে ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধের ঘটনাবলী পর্যালোচনা করা হয়েছে। মুসলমানদের মধ্যে তখনও কিছু নৈতিক ত্রুটি বিদ্যমান ছিল।সেগুলো দূর করার প্রচেষ্টা যাতে মুসনমানেরা চালাতে পারে সে উদ্দেশ্যে সর্বপ্রথম সে সব নৈতিক ত্রুটি নির্দেশ করা হয়েছে।তারপর তদের জানানো হয়েছে , এ বিজয়ে আল্লাহর সাহায্য ও সমর্থন কি পরিমান ছিল। যাতে তারা মনে না করে যে, তারা শুধু তাদের শৌর্য-বীর্যেরো সাহসিকতার কারনে জয়লাভ করেছে।বরং আল্লাহর প্রতি নির্ভরতা এবং আল্লাহর রাসুলের আনুগত্যের শিক্ষা গ্রহণ করতে সক্ষম হবে।

তারপর মুনাফিক, মুশরিক ও ইহুদিদের এবং এ যুদ্ধে বন্দীদের সম্বোধন করে অত্যন্ত শিক্ষনীয় বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।

এ যুদ্ধের ফলে গণীমতের মাল সম্পর্কে মুসলমানদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেগুলোর মধ্যে কতটুকু নিজেদের মধ্যে রাখবে, আল্লাহ যে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন তা সন্তুষ্ট চিত্তে গ্রহণ করা।

এরপর যুদ্ধ ও সন্ধি সম্পর্কে ইসলামী বিধান কিরুপ হবে সে সব নৈতিক বিধান বলা হয়েছে। যাতে তারা জাহেলী পদ্ধতি থেকে দূরে থাকতে পারে। এবং দুলিয়ার উপর তাদের নৈতিক শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠীত হবে।

ইসলামী শাসনতান্ত্রিক আইনের কতিপয় ধারাও বর্ণনা করা হয়েছে।

চলবে।

4 টি মন্তব্য »

  1. চালিয়ে যাও।

    Comment লিখেছেন tahazzattaaha — জানুয়ারি 9, 2010 @ 8:30 অপরাহ্ন | Reply

  2. [...] দারসুল কোরআন-পর্ব ১ [...]

    পিংব্যাক লিখেছেন দারসুল কোরআন-পর্ব ২ « মনের ভাবনা — জানুয়ারি 10, 2010 @ 4:52 অপরাহ্ন | Reply

  3. [...] দারসুল কোরআন-পর্ব ১ [...]

    পিংব্যাক লিখেছেন দারসুল কোরআন-পর্ব ৩ « মনের ভাবনা — জানুয়ারি 12, 2010 @ 5:35 অপরাহ্ন | Reply


এই পোস্টের মন্তব্য সমূহের feed RSS TrackBack URI

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

Theme: Rubric. Blog at WordPress.com.

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.